রমজানে বহু রোজাদারের ইফতার ও সাহরি নির্ভর করে আপনার সহায়তার উপর, আপনার দান মানেই একবেলা খাবার, শক্তি ও ইবাদতের ভরসা।
রমজানে ক্ষুধার্ত মানুষের পাশে মাস্তুল ফাউন্ডেশন রমজান মাস শুধু ইবাদতের মাস নয়, এটি সহমর্মিতা, ভাগাভাগি এবং মানবিকতার মাস। কিন্তু আমাদের চারপাশে এমন অসংখ্য মানুষ আছেন, যারা রোজা রাখলেও ইফতার ও সাহারির জন্য পর্যাপ্ত খাবার জোগাড় করতে পারেন না। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে মাস্তুল ফাউন্ডেশন পরিচালনা করে “ইফতার ও সাহরি তহবিল”। এই তহবিলের মাধ্যমে রমজানজুড়ে দরিদ্র, এতিম, শ্রমজীবী, পথবাসী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে ইফতার ও সাহরির খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়।
হাদিসের বাণী
রাসূলুল্লাহ (সা.) অন্যকে ইফতার করানোর ফজিলত সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন:
১. রোজাদারের সমান সওয়াব পাওয়া
সবচেয়ে পরিচিত এবং শক্তিশালী হাদিস এটি:
"যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, তার জন্যও রোজাদারের সমান সওয়াব হবে; তবে রোজাদারের সওয়াব থেকে বিন্দুমাত্র কমানো হবে না।" - সুনানে তিরমিজি, হাদিস নম্বর: ৮০৭
২. সামান্য খাবারের মাধ্যমেও সওয়াব লাভ
আল্লাহর দয়া এতই বেশি যে, খুব দামী খাবার না দিলেও এই সওয়াব পাওয়া যায়। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"আল্লাহ এই সওয়াব সেই ব্যক্তিকেও দেবেন, যে কোনো রোজাদারকে এক চুমুক দুধ, একটি খেজুর বা সামান্য পানি দিয়ে ইফতার করায়।" - সহিহ ইবনে খুজাইমা
৩. ফেরেশতাদের দোয়া লাভ
রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন কারো বাড়িতে ইফতার করতেন, তখন তাদের জন্য দোয়া করতেন:
"তোমাদের কাছে রোজাদাররা ইফতার করুক, নেককাররা তোমাদের খাবার গ্রহণ করুক এবং ফেরেশতারা তোমাদের জন্য রহমতের দোয়া করুক।" - সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নম্বর: ৩৮৫৪
পবিত্র কুরআনের ইঙ্গিত
পবিত্র কুরআনে সরাসরি 'ইফতার করানো' শব্দটি না থাকলেও, অভাবী বা মানুষকে খাবার খাওয়ানোর যে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, তা ইফতারের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
"তারা আল্লাহর প্রেমে অভাবগ্রস্ত, এতিম ও বন্দিদের খাবার দান করে।" - সূরা আদ-দাহর (আল-ইনসান), আয়াত: ৮
জান্নাতিদের গুণাবলী বর্ণনা করতে গিয়ে আল্লাহ বলেন:
"অথবা দুর্ভিক্ষের দিনে অন্নদান করা, এতিম নিকটাত্মীয়কে অথবা ধূলি-ধূসরিত মিসকিনকে।" - সূরা আল-বালাদ, আয়াত: ১৪-১৬
রমজানে ক্ষুধার্ত মানুষের পাশে মাস্তুল ফাউন্ডেশন
রমজান মাস শুধু ইবাদতের মাস নয়, এটি সহমর্মিতা, ভাগাভাগি এবং মানবিকতার মাস। কিন্তু আমাদের চারপাশে এমন অসংখ্য মানুষ আছেন - যারা রোজা রাখলেও ইফতার ও সাহারির জন্য পর্যাপ্ত খাবার জোগাড় করতে পারেন না। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে মাস্তুল ফাউন্ডেশন পরিচালনা করে “ইফতার ও সাহারি তহবিল”।

এই তহবিলের মাধ্যমে রমজানজুড়ে দরিদ্র, এতিম, শ্রমজীবী, পথবাসী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে ইফতার ও সাহারির খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়।
কেন এই তহবিল গুরুত্বপূর্ণ?
অনেক পরিবার রমজানে সারাদিন রোজা রাখার পরও ইফতারে শুধু পানি বা অল্প খাবার দিয়ে দিন শেষ করে। সাহারির সময়ও অনেকের ঘরে চুলা জ্বলে না। পুষ্টিকর খাবারের অভাবে তারা দুর্বল হয়ে পড়ে, যা তাদের স্বাস্থ্য ও কর্মক্ষমতার উপর প্রভাব ফেলে।
আপনার একটি অনুদান পারে-
🥙 একটি পরিবারের ইফতার নিশ্চিত করতে
🍚 একটি রোজাদারের সাহারির ব্যবস্থা করতে
🤲 রমজানের প্রকৃত আনন্দ ও সম্মান ফিরিয়ে দিতে
কীভাবে কাজ করে ইফতার ও সাহারি তহবিল?
মাস্তুল ফাউন্ডেশন রমজান মাসজুড়ে-
🍲 রান্না করা ইফতার ও সাহারি খাবার প্রস্তুত করে
🥘 প্যাকেট ইফতার বিতরণ করে মসজিদ, রাস্তার পাশে ও দরিদ্র এলাকায়
🏠 এতিমখানা, আশ্রয়কেন্দ্র ও বস্তিতে সরাসরি খাবার পৌঁছে দেয়
👴 প্রবীণ ও অসহায় ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সহায়তা নিশ্চিত করে
সব খাবার স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে প্রস্তুত করা হয় এবং সম্মানের সঙ্গে বিতরণ করা হয়।

কারা উপকৃত হন?
এটি শুধু খাবার নয়, এটি ভালোবাসার দান
ইফতার ও সাহারি তহবিল শুধু ক্ষুধা নিবারণ করে না - এটি একজন রোজাদারের মুখে হাসি ফোটায়, তার হৃদয়ে অনুভব করায় যে সে একা নয়। রমজানের এই দান সদকায়ে জারিয়ার মতোই সওয়াবের পথ খুলে দেয়, কারণ আপনি একজন রোজাদারের ইবাদতে অংশীদার হয়ে যান।
আপনিও শরিক হোন
আপনার যাকাত, সদকা বা সাধারণ অনুদান এই তহবিলে যুক্ত করে অসংখ্য রোজাদারের ইফতার ও সাহারির ব্যবস্থা করা সম্ভব।
মাস্তুল ফাউন্ডেশন "রমজানে মানবতার পাশে, ইফতার ও সাহারিতে ভালোবাসার ভাগাভাগি"